মূল অংশে যান

হলিডে4 মিনিটে পড়া

খাগড়াছড়ি হয়ে সাজেক: গুহা, ঝরনা আর চাঁদের গাড়িতে পাহাড়ে ওঠা

সাজেকের পথটাকেই সফরের অংশ করুন: আলুটিলা গুহা, রিসাং ঝরনা, এসকর্টের সঙ্গে চাঁদের গাড়িতে যাত্রা আর কংলাকে সূর্যোদয়।

এআই দিয়ে সারসংক্ষেপ

ChatGPTClaudePerplexityGoogle AI
সাজেক ও খাগড়াছড়ির সবুজ পাহাড়, উপত্যকাজুড়ে ভেসে বেড়ানো মেঘ

সাজেক ভ্যালি রাঙামাটি জেলার অংশ হলেও প্রায় সবাই সেখানে যান খাগড়াছড়ি হয়ে। অনেকের কাছে খাগড়াছড়ি শুধু গাড়ি বদলের জায়গা। এটা আফসোসের, কারণ শহরের আশপাশে একটা দিন কাটালে সফরে যোগ হয় একটা গুহা, একটা ঝরনা আর পাহাড়ের চমৎকার কিছু দৃশ্য, আর লম্বা যাত্রাটাও দুটো আরামদায়ক ভাগে ভাগ হয়ে যায়।

সফরটা কীভাবে সাজাবেন

বেশিরভাগ মানুষ ঢাকা থেকে রাতের বাসে রওনা দিয়ে সকালে খাগড়াছড়ি পৌঁছান। তিন দিনের একটা স্বস্তির পরিকল্পনা মোটামুটি এমন:

  1. প্রথম দিন: খাগড়াছড়ি পৌঁছে বিশ্রাম, তারপর আলুটিলা গুহা আর রিসাং ঝরনা। রাতে শহরে থাকা।
  2. দ্বিতীয় দিন: এসকর্টের সঙ্গে জিপে সাজেক, কটেজে চেক-ইন, তারপর রিজ থেকে সূর্যাস্ত দেখা।
  3. তৃতীয় দিন: সূর্যোদয়ের জন্য কংলাকে ওঠা, নাশতার সঙ্গে মেঘ উপভোগ, তারপর নিচে নেমে ঢাকার পথে।

হাতে শুধু সাপ্তাহিক ছুটি থাকলে পৌঁছেই সরাসরি সাজেকে উঠে ফেরার পথে খাগড়াছড়ির জায়গাগুলো দেখে নিতে পারেন। তবে এটা ক্লান্তিকর; বাড়তি একটা রাত সত্যিই অনেক পার্থক্য গড়ে।

আলুটিলা গুহা ও রিসাং ঝরনা

আলুটিলা গুহা খাগড়াছড়ি শহরের ঠিক বাইরে একটা পাহাড়ে। পাথরের ভেতর দিয়ে অন্ধকার, সরু এক সুড়ঙ্গ, মেঝে দিয়ে বয়ে যায় ঠান্ডা পানি; ঢোকার মুখে বিক্রি হওয়া টর্চ বা জ্বলন্ত মশাল হাতে হেঁটে পার হতে হয়। পথটা ছোট, কিন্তু মনে হয় ছোটখাটো এক অভিযান। গ্রিপওয়ালা স্যান্ডেল পরুন, প্যান্ট গুটিয়ে নিন, ফোন রাখুন জিপ ব্যাগে। গুহার কাছের ভিউপয়েন্ট থেকে শহর আর পাহাড় দেখা যায়; ঢোকার আগে কয়েক মিনিট সেখানে দাঁড়ানো যায়।

রিসাং ঝরনায় যেতে হয় খাড়া পথ বেয়ে, তারপর সিঁড়ি ভেঙে নিচে নেমে। চওড়া, ঢালু পাথরের গা বেয়ে পানি গড়িয়ে নামে, আর বর্ষায় ঝরনা থাকে সবচেয়ে ভরা। পাথর ভীষণ পিচ্ছিল, তাই কিনারায় সাবধান থাকুন, শিশুদের ভেজা পাথরে উঠতে দেবেন না। কঠিন অংশটা ফেরার চড়াই; পানি সঙ্গে রাখুন, নিজের গতিতে উঠুন।

চাঁদের গাড়িতে সাজেকে ওঠা

খাগড়াছড়ি থেকে সাজেকের রাস্তা দীঘিনালা হয়ে পাহাড়ে ঢোকে, পথে অনেক বাঁক আর খাড়া চড়াই। বেশিরভাগ পর্যটক যান চাঁদের গাড়িতে, পেছনটা খোলা এক ধরনের জিপ, যা দল মিলে ভাড়া নিতে হয়। পেছনে বসে বাতাস আর দৃশ্য উপভোগ করাই অর্ধেক মজা, তবে বাঁকে শক্ত করে ধরে থাকুন।

নিরাপত্তার জন্য পর্যটকদের গাড়ি সাধারণত দিনের নির্দিষ্ট সময়ে সেনা এসকর্টের সঙ্গে বহর বেঁধে চলে, যাওয়া ও ফেরা দুই পথেই। এসকর্ট ছুটে গেলে পরেরটার জন্য অপেক্ষা করতে হয়, তাই সময় হাতে রেখে শহর ছাড়ুন। পার্বত্য এলাকার সময়সূচি ও প্রবেশের নিয়ম মাঝে মাঝে বদলায়, কখনও কখনও রাস্তা বন্ধও থাকতে পারে; তাই যাত্রার আগে সফটওয়ে ট্রাভেলস সর্বশেষ পরিস্থিতি যাচাই করে নেয়।

জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট সঙ্গে রাখুন। দেখাতে বলা হতে পারে, আর এসকর্টের জন্য চালকের আপনার তথ্য লাগতে পারে।

কংলাক পাহাড় ও সাজেকের জীবন

সাজেকের মূল রাস্তা চলে গেছে একটা রিজ ধরে, দুপাশে কটেজ আর ছোট ছোট ক্যাফে। এর ওপরে কংলাক, এলাকার সবচেয়ে উঁচু জায়গা; রাস্তার শেষ মাথা থেকে ছোট কিন্তু খাড়া হাঁটাপথ। সূর্যোদয়ের জন্য ভোরে যান, তখন নিচের উপত্যকাগুলো প্রায়ই মেঘের সমুদ্রে ভরে থাকে। পথের শুরুতে বাঁশের লাঠি বিক্রি হয়, নামার সময় বেশ কাজে দেয়।

মোবাইল নেটওয়ার্ক আর বিদ্যুৎ সীমিত থাকতে পারে, সাপ্তাহিক ছুটিতে কটেজ দ্রুত ভরে যায়, আর রাতে ঠান্ডা লাগতে পারে, বিশেষ করে শীতে। এসব ব্যবহারিক খুঁটিনাটি আরও বিস্তারিত আছে আমাদের সাজেক ভ্যালি টিপসে।

এখানকার মানুষের প্রতি সম্মান

সাজেক ও খাগড়াছড়ির পাহাড়ে বাস করে লুসাই, পাংখোয়া ও ত্রিপুরাসহ কয়েকটি জনগোষ্ঠী। আপনি তাঁদের গ্রামে অতিথি, কোনো থিম পার্কে নয়।

  • কারও ছবি তোলার আগে অনুমতি নিন, আর না বললে হাসিমুখে মেনে নিন।
  • গান বাজানো বন্ধ রাখুন, গলা নিচু রাখুন, বিশেষ করে রাতে।
  • নিজের সব ময়লা সঙ্গে ফিরিয়ে আনুন, একবার ব্যবহারের প্লাস্টিক এড়িয়ে চলুন।
  • শালীন পোশাক পরুন, আমন্ত্রণ ছাড়া কারও বাড়ি বা বাগানে ঢুকবেন না।
  • সম্ভব হলে স্থানীয় খাবার ও হাতে বোনা কাপড় কিনুন, যাতে আপনার সফর এখানকার মানুষের কাজে লাগে।

বাস, জিপ, কটেজ আর পুরো সফরের একটা স্বস্তির গতি, সবকিছুর ব্যবস্থা করে দিতে পারে সফটওয়ে ট্রাভেলস। দুই জায়গাই রাখা একটা রুটের জন্য দেখুন আমাদের সাজেক ও খাগড়াছড়ি প্যাকেজ।

লেখাটি শেয়ার করুন

WhatsAppFacebookXLinkedIn

এই ট্রিপের পরিকল্পনা করছেন?

তারিখ আর কারা যাচ্ছেন জানান, বাকি পরিকল্পনায় আমাদের ডেস্ক সাহায্য করবে।

এই ট্রিপের প্যাকেজ

  • ৩ দিন২–১২ জন

    দাম শুরুজনপ্রতি

  • ২ দিন২–১২ জন

    দাম শুরুজনপ্রতি

আরও লেখা পড়ুন

বলুন, আপনি কোথায় যেতে চান।

আপনার রুট, তারিখ বা ভিসার প্রশ্ন জানান। আমাদের একজন কনসালট্যান্ট দেখে দামসহ পরিষ্কার একটা কোটেশন পাঠাবেন।

অফিস টাইম
শনি–বৃহস্পতি, ৯:৩০–১৯:৩০
অফিস
ফ্ল্যাট ২সি (২য় তলা), স্কাই হাইটস, হোল্ডিং ৮৪৮, আশকোনা, দক্ষিণখান, Dhaka 1230
ম্যাপে দেখুন

পাসপোর্টের তথ্য আর কাগজপত্র গোপন থাকে। শুধু আপনার বুকিংয়ের কাজেই আমরা এগুলো ব্যবহার করি।

আপনার কী দরকার?

বুক করার কোনো চাপ নেই। আমাদের একজন কনসালট্যান্ট অফিস টাইমের ৪ ঘণ্টার মধ্যে রিপ্লাই দেবেন।

ধন্যবাদ। আপনার মেসেজ আমাদের অফিসে পৌঁছে গেছে। অফিস টাইমের ৪ ঘণ্টার মধ্যে আমরা রিপ্লাই দেব।

মেসেজটা পাঠানো যায়নি। আপনার তথ্য এখানেই আছে। আবার চেষ্টা করুন, অথবা WhatsApp-এ পাঠান.

জরুরি দরকার? WhatsApp করুনWhatsApp-এ পাঠান

Choose your languageআপনার ভাষা বেছে নিন

You can change this any time from the menu. মেনু থেকে যেকোনো সময় বদলাতে পারবেন।