
ভিসা3 মিনিটে পড়া
বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য ট্যুরিস্ট ভিসার চেকলিস্ট
পাসপোর্ট, ছবি, ব্যাংকের কাগজ, এনওসি বা ট্রেড লাইসেন্স, টিকেট, হোটেল আর গোছানো কভার লেটার: বেশির ভাগ ট্যুরিস্ট ভিসায় যে কাগজ চাওয়া হয়।
ভিসা3 মিনিটে পড়া
কোন দেশে আবেদন করবেন, অ্যাপয়েন্টমেন্ট কেন আগেভাগে নেবেন, আর ইনস্যুরেন্স, ভ্রমণসূচি, ব্যাংকের কাগজ ও দেশে ফেরার প্রমাণ কীভাবে গোছাবেন।

একটি শেনজেন ভিসায় খুলে যায় ইউরোপের বেশির ভাগ দেশ, সুইস আল্পস থেকে আমস্টারডামের খাল পর্যন্ত। বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের জন্য এটি তুলনামূলক কঠিন আবেদনগুলোর একটিও, আর রিফিউজাল সাধারণত হয় প্রস্তুতির ঘাটতিতে, দুর্ভাগ্যে নয়। আগেভাগে শুরু করুন, প্রথম পাতা থেকে শেষ পর্যন্ত মিল আছে এমন একটি ফাইল বানান, তাহলেই নিজেকে সবচেয়ে ভালো সুযোগটা দেবেন।
পছন্দের দূতাবাস বেছে নেওয়ার সুযোগ নেই। নিয়মটা সহজ:
আপনার ভ্রমণসূচি, বুকিং আর আবেদনের দেশ, সব যেন এক হয়। সহজ মনে হয় এমন দেশে আবেদন করে ট্রিপের বেশির ভাগ সময় অন্য দেশে কাটানো রিফিউজালের একটি সাধারণ কারণ, আর এতে সীমান্তেও সমস্যা হতে পারে। সব শেনজেন দেশ ঢাকায় আবেদন নেয় না, তাই কোথায় ও কীভাবে আবেদন করবেন, তা নির্ভর করে আপনার মূল গন্তব্যের ওপর।
দূতাবাস হোক বা ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার, অ্যাপয়েন্টমেন্টের স্লট প্রায়ই কয়েক সপ্তাহ আগেই ফুরিয়ে যায়, বিশেষ করে বসন্ত আর গ্রীষ্মের ভ্রমণের জন্য। অনেকের ট্রিপ ভেস্তে যায় শুধু এ কারণে যে তাঁরা অ্যাপয়েন্টমেন্টের আগে হোটেল চূড়ান্ত করার অপেক্ষায় ছিলেন।
আপনার ভ্রমণের তারিখ অনুযায়ী সবচেয়ে আগে কবে আবেদন করা যায়, জেনে নিন, আর পরিকল্পনা পাকা হলেই অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নিন। তারপর সেই তারিখ ধরে কাগজ গোছান, উল্টোটা নয়।
আগে অ্যাপয়েন্টমেন্ট, তারপর ফাইল ঘষামাজা। স্লট ছাড়া নিখুঁত ফাইলও কোথাও পৌঁছায় না।
দেশভেদে তালিকা আলাদা, সময়ের সঙ্গে বদলায়ও, তবে বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ট্যুরিস্ট ফাইলে সাধারণত থাকে:
পরিষ্কার, বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে আশ্বস্ত করে যে আপনি সত্যিকারের পর্যটক। আট দিনে দশ দেশ সেটা করে না। ট্রেনে যুক্ত দুই-তিনটি শহরকে কেন্দ্র করে সাজানো পরিকল্পনা সাধারণত বেশি গ্রহণযোগ্য, আর ছুটিটাও ভালো কাটে। সুইস পাহাড়, প্যারিস আর রাইন নদীর কথা ভাবলে আমাদের ট্রেনে ইউরোপ ভ্রমণ গাইডটি এমন রুট সাজাতে সাহায্য করবে, যা সহজে ব্যাখ্যা করা যায়।
ভিসা হওয়ার আগে ফেরতযোগ্য নয় এমন টিকেট না কিনে ফ্লাইট রিজারভেশন রাখুন, আর হোটেল বুকিং যেন প্রতিটি রাত কভার করে এবং নাম পাসপোর্টের সঙ্গে মেলে।
সবার ওপরে, কর্মকর্তাকে নিশ্চিত হতে হবে যে আপনি দেশে ফিরবেন। সেই আস্থা আসে পুরো ছবি থেকে: স্থির চাকরি বা ব্যবসা, নিয়মিত ব্যাংক লেনদেন, পারিবারিক দায়িত্ব, সম্পত্তি, আর আগের সফরে সময়মতো ফেরার রেকর্ড।
আগে রিফিউজাল হয়ে থাকলে রিফিউজাল লেটার রেখে দিন, আর প্রতিটি কারণের সরাসরি জবাব দিন। ভিসা রিফিউজের পর কী করবেন, সে বিষয়ে আমাদের লেখায় আরও শক্ত ফাইল নিয়ে আবার আবেদনের উপায় বলা আছে।
শেনজেনের নিয়ম বদলায়, আর প্রতিটি সদস্য দেশের নিজস্ব ধরন আছে। আমাদের ভিসা সার্ভিসের মাধ্যমে আবেদন করলে সফটওয়ে ট্রাভেলস আপনার গন্তব্যের বর্তমান নিয়ম যাচাই করে, জমা দেওয়ার আগে ফাইল দেখে দেয়, আর সেই অনুযায়ী ফ্লাইট, হোটেল ও ইনস্যুরেন্স বুক করে দেয়।
এই ট্রিপের পরিকল্পনা করছেন?
তারিখ আর কারা যাচ্ছেন জানান, বাকি পরিকল্পনায় আমাদের ডেস্ক সাহায্য করবে।
আমাদের জিজ্ঞেস করুনভিসা সাপোর্টতারিখ আর কারা যাচ্ছেন জানান, বাকি পরিকল্পনায় আমাদের ডেস্ক সাহায্য করবে।
ভিসা সাপোর্ট
আমরা কীভাবে সাহায্য করি দেখুন
ভিসা3 মিনিটে পড়া
পাসপোর্ট, ছবি, ব্যাংকের কাগজ, এনওসি বা ট্রেড লাইসেন্স, টিকেট, হোটেল আর গোছানো কভার লেটার: বেশির ভাগ ট্যুরিস্ট ভিসায় যে কাগজ চাওয়া হয়।

ভিসা4 মিনিটে পড়া
ভিসা প্রত্যাখ্যান মানেই সব শেষ নয়। আবেদন সাধারণত কেন বাতিল হয় আর পরের বার কীভাবে আরও শক্ত ও পুরোপুরি সৎ আবেদন করবেন, জেনে নিন।

ভিসা4 মিনিটে পড়া
বাংলাদেশ থেকে থাইল্যান্ডের ট্যুরিস্ট ভিসায় সাধারণত যেসব কাগজ লাগে তার কাজের তালিকা, আর যেসব ছোট ভুলে দেরি বা রিফিউজাল হয়।
আপনার রুট, তারিখ বা ভিসার প্রশ্ন জানান। আমাদের একজন কনসালট্যান্ট দেখে দামসহ পরিষ্কার একটা কোটেশন পাঠাবেন।
পাসপোর্টের তথ্য আর কাগজপত্র গোপন থাকে। শুধু আপনার বুকিংয়ের কাজেই আমরা এগুলো ব্যবহার করি।