মূল অংশে যান

ভিসা3 মিনিটে পড়া

বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ট্যুরিস্ট ভিসা: প্রস্তুতি নেবেন যেভাবে

কোন দেশে আবেদন করবেন, অ্যাপয়েন্টমেন্ট কেন আগেভাগে নেবেন, আর ইনস্যুরেন্স, ভ্রমণসূচি, ব্যাংকের কাগজ ও দেশে ফেরার প্রমাণ কীভাবে গোছাবেন।

এআই দিয়ে সারসংক্ষেপ

ChatGPTClaudePerplexityGoogle AI
ঝকঝকে দিনে সুইস আল্পসের পাহাড়ি পথে হাঁটছেন কয়েকজন হাইকার

একটি শেনজেন ভিসায় খুলে যায় ইউরোপের বেশির ভাগ দেশ, সুইস আল্পস থেকে আমস্টারডামের খাল পর্যন্ত। বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের জন্য এটি তুলনামূলক কঠিন আবেদনগুলোর একটিও, আর রিফিউজাল সাধারণত হয় প্রস্তুতির ঘাটতিতে, দুর্ভাগ্যে নয়। আগেভাগে শুরু করুন, প্রথম পাতা থেকে শেষ পর্যন্ত মিল আছে এমন একটি ফাইল বানান, তাহলেই নিজেকে সবচেয়ে ভালো সুযোগটা দেবেন।

সঠিক দেশে আবেদন করুন

পছন্দের দূতাবাস বেছে নেওয়ার সুযোগ নেই। নিয়মটা সহজ:

  • যে দেশে সবচেয়ে বেশি রাত থাকবেন, সেখানে আবেদন করুন।
  • রাতগুলো সমানভাবে ভাগ হলে, যে দেশে প্রথম প্রবেশ করবেন, সেখানে আবেদন করুন।

আপনার ভ্রমণসূচি, বুকিং আর আবেদনের দেশ, সব যেন এক হয়। সহজ মনে হয় এমন দেশে আবেদন করে ট্রিপের বেশির ভাগ সময় অন্য দেশে কাটানো রিফিউজালের একটি সাধারণ কারণ, আর এতে সীমান্তেও সমস্যা হতে পারে। সব শেনজেন দেশ ঢাকায় আবেদন নেয় না, তাই কোথায় ও কীভাবে আবেদন করবেন, তা নির্ভর করে আপনার মূল গন্তব্যের ওপর।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট আগেই শেষ হয়ে যায়

দূতাবাস হোক বা ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার, অ্যাপয়েন্টমেন্টের স্লট প্রায়ই কয়েক সপ্তাহ আগেই ফুরিয়ে যায়, বিশেষ করে বসন্ত আর গ্রীষ্মের ভ্রমণের জন্য। অনেকের ট্রিপ ভেস্তে যায় শুধু এ কারণে যে তাঁরা অ্যাপয়েন্টমেন্টের আগে হোটেল চূড়ান্ত করার অপেক্ষায় ছিলেন।

আপনার ভ্রমণের তারিখ অনুযায়ী সবচেয়ে আগে কবে আবেদন করা যায়, জেনে নিন, আর পরিকল্পনা পাকা হলেই অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নিন। তারপর সেই তারিখ ধরে কাগজ গোছান, উল্টোটা নয়।

আগে অ্যাপয়েন্টমেন্ট, তারপর ফাইল ঘষামাজা। স্লট ছাড়া নিখুঁত ফাইলও কোথাও পৌঁছায় না।

সাধারণত যেসব কাগজ চাওয়া হয়

দেশভেদে তালিকা আলাদা, সময়ের সঙ্গে বদলায়ও, তবে বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ট্যুরিস্ট ফাইলে সাধারণত থাকে:

  1. পাসপোর্ট: ফেরার পরও যথেষ্ট মেয়াদ ও ফাঁকা পাতাসহ, সঙ্গে ভ্রমণ-ইতিহাস দেখায় এমন পুরোনো পাসপোর্ট।
  2. আবেদন ফরম আর শেনজেনের নির্ধারিত মাপের ছবি।
  3. ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স: পুরো সফরের জন্য, চিকিৎসা ও দেশে ফেরত পাঠানোর খরচসহ, শেনজেনের ন্যূনতম শর্ত পূরণ করে।
  4. দিনভিত্তিক ভ্রমণসূচি: ফ্লাইট রিজারভেশন আর প্রতিটি রাতের হোটেল বুকিংসহ।
  5. ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও সলভেন্সি সার্টিফিকেট: সাম্প্রতিক মাসগুলোর, ব্যাখ্যা করা যায় এমন আয়সহ।
  6. দেশের সঙ্গে বন্ধনের প্রমাণ: চাকরিজীবী হলে এনওসি ও ছুটির অনুমোদন, ব্যবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্স ও কর-সংক্রান্ত কাগজ, শিক্ষার্থী হলে প্রতিষ্ঠানের চিঠি।
  7. কভারিং লেটার: আপনি কে, কেন যাচ্ছেন, খরচ কে দিচ্ছেন আর কবে ফিরবেন, তার ব্যাখ্যা।

ভ্রমণসূচি হোক বিশ্বাসযোগ্য

পরিষ্কার, বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে আশ্বস্ত করে যে আপনি সত্যিকারের পর্যটক। আট দিনে দশ দেশ সেটা করে না। ট্রেনে যুক্ত দুই-তিনটি শহরকে কেন্দ্র করে সাজানো পরিকল্পনা সাধারণত বেশি গ্রহণযোগ্য, আর ছুটিটাও ভালো কাটে। সুইস পাহাড়, প্যারিস আর রাইন নদীর কথা ভাবলে আমাদের ট্রেনে ইউরোপ ভ্রমণ গাইডটি এমন রুট সাজাতে সাহায্য করবে, যা সহজে ব্যাখ্যা করা যায়।

ভিসা হওয়ার আগে ফেরতযোগ্য নয় এমন টিকেট না কিনে ফ্লাইট রিজারভেশন রাখুন, আর হোটেল বুকিং যেন প্রতিটি রাত কভার করে এবং নাম পাসপোর্টের সঙ্গে মেলে।

বাংলাদেশের সঙ্গে দৃঢ় বন্ধন দেখান

সবার ওপরে, কর্মকর্তাকে নিশ্চিত হতে হবে যে আপনি দেশে ফিরবেন। সেই আস্থা আসে পুরো ছবি থেকে: স্থির চাকরি বা ব্যবসা, নিয়মিত ব্যাংক লেনদেন, পারিবারিক দায়িত্ব, সম্পত্তি, আর আগের সফরে সময়মতো ফেরার রেকর্ড।

  • আবেদনের আগের মাসগুলোতে ব্যাখ্যাহীন বড় অঙ্কের জমা এড়িয়ে চলুন।
  • ব্যাংক স্টেটমেন্টের বেতন যেন এনওসিতে লেখা বেতনের সঙ্গে মেলে।
  • আগের ভিসা ও ভ্রমণের প্রমাণ থাকলে দিন, বিশেষ করে ইউরোপ, যুক্তরাজ্য, উত্তর আমেরিকা বা অস্ট্রেলিয়ার।
  • প্রতিটি ফরমে সৎ থাকুন। সাধারণ প্রোফাইলের চেয়ে ছোট একটি অসংগতি বেশি ক্ষতি করে।

আগে রিফিউজাল হয়ে থাকলে রিফিউজাল লেটার রেখে দিন, আর প্রতিটি কারণের সরাসরি জবাব দিন। ভিসা রিফিউজের পর কী করবেন, সে বিষয়ে আমাদের লেখায় আরও শক্ত ফাইল নিয়ে আবার আবেদনের উপায় বলা আছে।

শেনজেনের নিয়ম বদলায়, আর প্রতিটি সদস্য দেশের নিজস্ব ধরন আছে। আমাদের ভিসা সার্ভিসের মাধ্যমে আবেদন করলে সফটওয়ে ট্রাভেলস আপনার গন্তব্যের বর্তমান নিয়ম যাচাই করে, জমা দেওয়ার আগে ফাইল দেখে দেয়, আর সেই অনুযায়ী ফ্লাইট, হোটেল ও ইনস্যুরেন্স বুক করে দেয়।

লেখাটি শেয়ার করুন

WhatsAppFacebookXLinkedIn

এই ট্রিপের পরিকল্পনা করছেন?

তারিখ আর কারা যাচ্ছেন জানান, বাকি পরিকল্পনায় আমাদের ডেস্ক সাহায্য করবে।

আরও লেখা পড়ুন

বলুন, আপনি কোথায় যেতে চান।

আপনার রুট, তারিখ বা ভিসার প্রশ্ন জানান। আমাদের একজন কনসালট্যান্ট দেখে দামসহ পরিষ্কার একটা কোটেশন পাঠাবেন।

অফিস টাইম
শনি–বৃহস্পতি, ৯:৩০–১৯:৩০
অফিস
ফ্ল্যাট ২সি (২য় তলা), স্কাই হাইটস, হোল্ডিং ৮৪৮, আশকোনা, দক্ষিণখান, Dhaka 1230
ম্যাপে দেখুন

পাসপোর্টের তথ্য আর কাগজপত্র গোপন থাকে। শুধু আপনার বুকিংয়ের কাজেই আমরা এগুলো ব্যবহার করি।

আপনার কী দরকার?

বুক করার কোনো চাপ নেই। আমাদের একজন কনসালট্যান্ট অফিস টাইমের ৪ ঘণ্টার মধ্যে রিপ্লাই দেবেন।

ধন্যবাদ। আপনার মেসেজ আমাদের অফিসে পৌঁছে গেছে। অফিস টাইমের ৪ ঘণ্টার মধ্যে আমরা রিপ্লাই দেব।

মেসেজটা পাঠানো যায়নি। আপনার তথ্য এখানেই আছে। আবার চেষ্টা করুন, অথবা WhatsApp-এ পাঠান.

জরুরি দরকার? WhatsApp করুনWhatsApp-এ পাঠান

Choose your languageআপনার ভাষা বেছে নিন

You can change this any time from the menu. মেনু থেকে যেকোনো সময় বদলাতে পারবেন।