
ভিসা3 মিনিটে পড়া
বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য ট্যুরিস্ট ভিসার চেকলিস্ট
পাসপোর্ট, ছবি, ব্যাংকের কাগজ, এনওসি বা ট্রেড লাইসেন্স, টিকেট, হোটেল আর গোছানো কভার লেটার: বেশির ভাগ ট্যুরিস্ট ভিসায় যে কাগজ চাওয়া হয়।
ভিসা4 মিনিটে পড়া
ভিসা প্রত্যাখ্যান মানেই সব শেষ নয়। আবেদন সাধারণত কেন বাতিল হয় আর পরের বার কীভাবে আরও শক্ত ও পুরোপুরি সৎ আবেদন করবেন, জেনে নিন।

ভিসা প্রত্যাখ্যাত হলে কষ্ট লাগে, বিশেষ করে যখন পরিবারকে ভ্রমণের কথা জানিয়ে ফেলেছেন বা টিকেট কেটে ফেলেছেন। কিন্তু ভিসা বাতিল হওয়া খুব কমই গল্পের শেষ। বেশির ভাগ প্রত্যাখ্যানের পেছনে থাকে হাতে গোনা কয়েকটি সমস্যা, যেগুলো ঠিক করা যায়, আর অনেকেই আরও পরিষ্কার ও ভালো প্রমাণসহ ফাইল নিয়ে দ্বিতীয়বার আবেদন করে সফল হন। আবার চেষ্টা করার আগে ঠিক কেন এমন হলো, সেটা বোঝাই আসল কথা।
চিঠিটি ফেলে দেবেন না, ইমেইলও মুছবেন না। এই মুহূর্তে এটিই আপনার সবচেয়ে কাজের কাগজ। অনেক দেশ প্রত্যাখ্যানের কারণ জানিয়ে দেয়: শেঙ্গেন দেশগুলো একটি নির্দিষ্ট ফরমে কারণগুলোতে টিক দেয়, আর কিছু দেশ ছোট একটি ব্যাখ্যা লেখে। অন্যরা খুব সামান্যই বলে।
পরে এগুলো লাগবে। অনেক ভিসা ফরমে জানতে চাওয়া হয় আগে কখনো প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন কি না, আর কিছু ফরমে বিস্তারিতও চাওয়া হয়।
প্রতিটি দেশের নিয়ম আলাদা, তবে বাংলাদেশি আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে ঘুরেফিরে একই বিষয়গুলো আসে:
একই কাগজ নিয়ে পরের সপ্তাহেই আবার আবেদন করলে সাধারণত একই উত্তর আসে। তার বদলে ধাপে ধাপে এগোন:
চিঠিতে স্পষ্ট কোনো কারণ না থাকলে কর্মকর্তার চোখে নিজের ফাইলটি দেখুন আর ভাবুন কোন অংশ সবচেয়ে দুর্বল ছিল। এখানে অন্য কারও মতামত কাজে আসে; নিজের কাগজের ফাঁক নিজে ধরা কঠিন।
এই একটি নিয়ম কখনো ভাঙবেন না। ফরমে আগের প্রত্যাখ্যানের কথা জানতে চাইলে হ্যাঁ বলুন এবং বিস্তারিত দিন। দূতাবাসগুলো প্রায়ই তথ্য আদান-প্রদান করে ও রেকর্ড রাখে, আর প্রত্যাখ্যান গোপন করাকে প্রত্যাখ্যানের চেয়ে অনেক বেশি গুরুতর হিসেবে দেখা হয়।
কখনো ভুয়া ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ধার করা টাকাকে নিজের বলে দেখানো বা বানানো চাকরির চিঠি জমা দেবেন না। কিছু দেশে প্রতারণার কারণে কয়েক বছরের জন্য পরবর্তী আবেদন নিষিদ্ধ হতে পারে।
সাধারণ ব্যালান্স আর ফিরে আসার স্পষ্ট কারণসহ একটি সৎ আবেদন, একবার যাচাইয়েই ভেঙে পড়া চমকপ্রদ ফাইলের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।
কিছু দেশ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার সুযোগ দেয়, সাধারণত চিঠিতে উল্লেখ করা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে। অন্যরা দেয় না, তখন নতুন আবেদনই একমাত্র পথ। কোনটি ভালো, তা নির্ভর করে দেশ, উল্লিখিত কারণ আর যাত্রার আগে হাতে কত সময় আছে তার ওপর। নিয়ম ও পদ্ধতি বদলায়, তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সফটওয়ে ট্রাভেলস আপনার গন্তব্যের বর্তমান অবস্থা যাচাই করে নেয়। একেবারে শুরু থেকে গোছাতে চাইলে আমাদের ট্যুরিস্ট ভিসা চেকলিস্ট দিয়ে ফাইলটি নতুন করে সাজাতে পারেন।
প্রত্যাখ্যাত আবেদনটি যত্ন নিয়ে আরেকবার দেখা আর আরও শক্ত আবেদন তৈরিতে সাহায্য চাইলে সফটওয়ে ট্রাভেলসের ভিসা সেবা আপনার সঙ্গে কাগজপত্র পর্যালোচনা করে পরের আবেদনটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এগিয়ে নিতে পারে।
এই ট্রিপের পরিকল্পনা করছেন?
তারিখ আর কারা যাচ্ছেন জানান, বাকি পরিকল্পনায় আমাদের ডেস্ক সাহায্য করবে।
আমাদের জিজ্ঞেস করুনভিসা সাপোর্টতারিখ আর কারা যাচ্ছেন জানান, বাকি পরিকল্পনায় আমাদের ডেস্ক সাহায্য করবে।
ভিসা সাপোর্ট
আমরা কীভাবে সাহায্য করি দেখুন
ভিসা3 মিনিটে পড়া
পাসপোর্ট, ছবি, ব্যাংকের কাগজ, এনওসি বা ট্রেড লাইসেন্স, টিকেট, হোটেল আর গোছানো কভার লেটার: বেশির ভাগ ট্যুরিস্ট ভিসায় যে কাগজ চাওয়া হয়।

ভিসা3 মিনিটে পড়া
কোন দেশে আবেদন করবেন, অ্যাপয়েন্টমেন্ট কেন আগেভাগে নেবেন, আর ইনস্যুরেন্স, ভ্রমণসূচি, ব্যাংকের কাগজ ও দেশে ফেরার প্রমাণ কীভাবে গোছাবেন।

ভিসা4 মিনিটে পড়া
বাংলাদেশ থেকে থাইল্যান্ডের ট্যুরিস্ট ভিসায় সাধারণত যেসব কাগজ লাগে তার কাজের তালিকা, আর যেসব ছোট ভুলে দেরি বা রিফিউজাল হয়।
আপনার রুট, তারিখ বা ভিসার প্রশ্ন জানান। আমাদের একজন কনসালট্যান্ট দেখে দামসহ পরিষ্কার একটা কোটেশন পাঠাবেন।
পাসপোর্টের তথ্য আর কাগজপত্র গোপন থাকে। শুধু আপনার বুকিংয়ের কাজেই আমরা এগুলো ব্যবহার করি।